[ad_1]
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো এলাকায় লাগা আগুনে আমদানি করা ওষুধ, টেলিকমিউনিকেশনের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি, গার্মেন্টস পণ্যসহ বিভিন্ন মূল্যবান জিনিসপত্র পুড়ে ভস্মীভূত হয়েছে। একইসঙ্গে কার্গো ব্যবস্থাপনার মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। এমনকি কার্গো সহসাই চালু হবে কিনা তা নিয়েও সংশয়ের সৃষ্টি হয়েছে। আগুন লাগার ৫ ঘণ্টা পার হলেও নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস।
শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাতে কার্গো সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্মচারী, সিএন্ডএফের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।
কার্গোর নাম প্রকাশ না করা শর্তে এক কর্মকর্তারা বলেন, আমরা যতটুকু জানতে পেরেছি স্কাই ক্যাপিটালের গুদাম থেকে আগুনের উৎপত্তি হয়। সেখানে কেমিক্যাল থাকার কারণে মুহূর্তে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
তিনি বলেন, কার্গোর ৩ নম্বর গুদাম, কার্গো ভিলেজ পুড়ে গেছে। আগুনের তীব্রতা ও ভয়াবহতা অনেক বেশি। স্মরণকালে এ ধরনের কোনও ঘটনা আর ঘটেনি। গার্মেন্টস পণ্য, ওষুধ, কেমিক্যাল, টেলিকমিউনিকেশন যন্ত্রপাতিসহ মূল্যবান আমদানি করা মালামাল পুড়ে গেছে। পুরো কার্গো অচল। এটি ঠিক করতে সময় লাগবে।
ঢাকা কাস্টমস হাউজ সিএন্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি খাইরুল আলম ভূইয়া মিঠু বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, স্মরণকালের ভয়াবহ ক্ষতির মুখে পড়লাম। সব মূল্যবান আমদানি করা মালামাল পুড়ে গেছে। কার্গো ব্যবস্থাপনায় এখন অচল প্রায়। যে পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে আমাদের মধ্যে সংশয়ের সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি বলেন, হাজার কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে। এটি কীভাবে পূরণ হবে—তা আসলে বলা সম্ভব নয়।
প্রসঙ্গত, শনিবার বেলা ২টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের ৩৭টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। একইসঙ্গে আগুন নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনীসহ বিভিন্ন সংস্থা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে সংস্থাগুলো।
[ad_2]
Source link
