আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর অনুমোদনহীন ও বেআইনি জনসমাবেশের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। নির্বাচনি পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বৈঠকে বিষয়টি চূড়ান্ত হয়।
প্রধান উপদেষ্টার জ্যেষ্ঠ সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ গণমাধ্যমকে জানান, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।
বৈঠকে জানানো হয়, তফসিল ঘোষণার পর সশস্ত্র বাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় নয় লাখ সদস্য মাঠে থাকবে—যা এ যাবৎকালের মধ্যে সর্বোচ্চ। ইতোমধ্যে দেড় লাখ পুলিশ সদস্য নির্বাচনি প্রশিক্ষণ পেয়েছেন।
সরকার জানায়, তফসিল–পরবর্তী সময়ে অনুমোদনহীন সভা-সমাবেশ বা জনদুর্ভোগ সৃষ্টিকারী যেকোনো আন্দোলন কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এ ধরনের কার্যক্রমে অংশ নিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, গত দেড় বছরে বিভিন্ন গোষ্ঠীর ন্যায্য দাবিতে সরকার আলোচনার মাধ্যমে সমাধানে পৌঁছেছে। তবে এখন দেশ নির্বাচনমুখী সময় পার করছে। তাই সব দাবি-দাওয়া নির্বাচন–পরবর্তী সরকারের কাছে উপস্থাপনের আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, দেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে এবং উত্তেজনাকর পরিস্থিতি এড়াতে হবে।
এসি
