ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ৭ ডিসেম্বরের পর যেকোনো দিন ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।
বুধবার (৩ ডিসেম্বর) গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানান তিনি।
তিনি বলেন, ‘আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যেই তফসিল দেওয়া হবে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে, রমজানের আগে নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।’
নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে আয়োজনের জন্য ইসি ‘শতভাগ প্রস্তুত’। একই ভোটারকে দুটি ব্যালটে ভোট দিতে হবে বলে ভোটের সময় এবং বুথের সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে কমিশনের পরবর্তী সভায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘মাঠপর্যায়ে ভোটারদের আগ্রহ এবার বেশি। রাজনৈতিক দলগুলো প্রচারণা শুরু করেছে; তফসিলের পর প্রচারণা আরও তীব্র হবে। ভোটার উপস্থিতিও আগের তুলনায় বেশি হবে।’
নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে ছয় মাসের জেল, দেড় লাখ টাকা জরিমানা ও প্রার্থিতা বাতিলসহ আইনি শাস্তি প্রযোজ্য হবে।’
সরকার নির্বাচন কমিশনকে সব ধরনের সহযোগিতা করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘অতীতের বিতর্ক কাটিয়ে এবার সব বিভাগ নিজেদের মর্যাদা পুনরুদ্ধারে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে।’
নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘প্রতিটি কেন্দ্রে বিভিন্ন বাহিনী মোতায়েন থাকবে। সঙ্গে থাকবে মোবাইল কোর্ট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি টিম। পর্যবেক্ষকরাও কাজ করবেন। এবার নতুনভাবে যুক্ত হচ্ছে বডিওর্ন ক্যামেরা। সব মিলিয়ে তফসিল ঘোষণার পর রাজধানী থেকে শুরু করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত এমন পরিবেশ তৈরি হবে, যেখানে কেউ নির্বাচনে বিশৃঙ্খলা বা বাধা দেওয়ার সাহস পাবে না। যারা দুষ্কৃতিকারী, তাদের দ্রুত আটক করে আইনের আওতায় এনে বিচার করা হবে।’
সূত্র : বাসস
এসি
