[ad_1]
রাজধানীর বকশিবাজারে আলিয়া মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। জানতে পেরে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে।
শনিবার (২২ নভেম্বর) রাত ১০টার দিকে এ সংঘর্ষের পর মাদ্রাসা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা। পরিস্থিতি মোকাবেলায় আলিয়া মাদ্রাসা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেছেন সেনা সদস্যরা।
জানা গেছে, মাদ্রাসার ভেতরে একটি মিলাদ মাহফিলের অনুষ্ঠান ছিল। সেই মাহফিলে শিক্ষার্থীদের দুই পক্ষের বাগবিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ঘটনাস্থলে থাকা কালের কণ্ঠের সাংবাদিক রাইয়ানকে লাঞ্চিত করেছেমন একদল শিক্ষার্থী। তার মুঠোফোন ও লাইভ ডিভাইস কেড়ে নেন শিক্ষার্থীরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত পৌনে ১১টার দিকেও মাদ্রাসার হলে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী অবরুদ্ধ অবস্থায় আছেন। তাদের উদ্ধারে কাজ করছে পুলিশ।
চকবাজার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল খায়ের বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মিলাদ মাহফিল চলাকালে কোনও এক বিষয় নিয়ে শিক্ষার্থীদের দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত আছে।’
রাতে চকবাজার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল খায়ের বলেন, মাদ্রাসায় সম্মিলিত জোটের ব্যানারে মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু কয়েকটি গ্রুপকে বলেনি তারা। ব্যানারে সম্মিলিত জোট উল্লেখ থাকলেও তাদের কেন জানানো হয়নি এ নিয়ে মাহফিল চলা অবস্থায় হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর থেকেই সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে।
তিনি বলেন, শুরুতে হাতাহাতির ঘটনা ঘটলেও পরে এটি ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় রূপ নেয়। এ ঘটনায় সাত জন শিক্ষার্থীও আহত হয়েছেন। তাদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষের সময় শিক্ষার্থীদের হাতে লাঠিসোটা ছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।
[ad_2]
