বৈধভাবে মোবাইল ফোন আমদানিতে শুল্কহার কমানোর বিষয়ে এনবিআর, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এবং বিটিআরসির বৈঠকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত ১ ডিসেম্বর প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের দপ্তরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় জানানো হয়, প্রবাসীরা দেশে এলে ৬০ দিন পর্যন্ত স্মার্টফোন রেজিস্ট্রেশন ছাড়াই ব্যবহার করতে পারবেন। বিএমইটি কার্ডধারীরা নিজের ব্যবহারের ফোনসহ ৩টি ফোন দেশে আনতে পারবেন; চতুর্থটির জন্য শুল্ক দিতে হবে। যাদের কার্ড নেই তারা নিজের ফোনের বাইরে একটি অতিরিক্ত ফোন ফ্রি আনতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে মোবাইল কেনার বৈধ কাগজ সঙ্গে রাখতে হবে।
বৈধ আমদানির শুল্ক উল্লেখযোগ্য হারে কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে শুল্কহার প্রায় ৬১ শতাংশ। শুল্ক কমানো হলে স্থানীয় ১৩–১৪টি মোবাইল কারখানার শুল্ক–ভ্যাটও সমন্বয় করতে হবে বলে সভায় জানানো হয়।
১৬ ডিসেম্বরের আগে অবৈধ পথে আমদানিকৃত স্টক ফোনগুলোর মধ্যে যেগুলোর বৈধ আইএমইআই আছে, সেগুলো হ্রাসকৃত শুল্কের মাধ্যমে বৈধ করার সুযোগ দেওয়া হবে। তবে ক্লোন ও রিফারবিশড ফোন এই সুবিধার বাইরে থাকবে। ১৬ ডিসেম্বর থেকে এনইআইআর চালুর আগে বৈধ আইএমইআই–বিহীন ফোন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানানো হয়।
সভায় আরও জানানো হয়, বর্তমানে ব্যবহৃত কোনো ফোনই ১৬ ডিসেম্বরের আগে বন্ধ হবে না। চোরাচালানকৃত ও ক্লোন ফোন বন্ধে বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরগুলোতে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
প্রস্তাবিত টেলিযোগাযোগ (সংশোধনী) অধ্যাদেশ–২০২৫ এ সিমের ইকেওয়াইসি ও আইএমইআই–সংক্রান্ত তথ্য সুরক্ষায় কঠোর বিধান যোগ করা হয়েছে।
এসি
