সামিউল ইসলাম আকাশকে হেয় করতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার: অভিযোগ ছাত্রদল নেতার
স্টাফ রিপোর্টার
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতা মোঃ সামিউল ইসলাম আকাশকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে একটি সংঘবদ্ধ কুচক্রী মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে—এমন অভিযোগ উঠেছে দলীয় সূত্রে। সাম্প্রতিক সময়ে ‘হাফিজুর রহমান হাফিজ’ নামে একটি ভুয়া ফেসবুক আইডি থেকে আকাশকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর, অসত্য ও মানহানিকর তথ্য ছড়ানোর ঘটনা নেতাকর্মীদের নজরে আসে।
দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রদলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থেকে আকাশ ক্যাম্পাসকেন্দ্রিক বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। তার এই পরিচ্ছন্ন ও সক্রিয় রাজনৈতিক ভূমিকার কারণেই প্রতিপক্ষ মহল তাকে টার্গেটে পরিণত করেছে বলে দাবি ছাত্রদল নেতাকর্মীদের। তাদের ভাষ্য, সংগঠনের উদীয়মান নেতৃত্বকে ধাক্কা দিতে এবং রাজনৈতিক সুনাম নষ্ট করতেই এ ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক অঙ্গনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এখন শুধু প্রচারের মাধ্যম নয়; অপতৎপরতা ও চরিত্রহননের অন্যতম বড় প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। পরিকল্পিতভাবে গুজব ছড়িয়ে প্রতিপক্ষকে দুর্বল করা, বিভ্রান্তি ছড়ানো এবং বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা—সবই এখন রাজনৈতিক কৌশলের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সক্রিয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বানোয়াট প্রচার চালানো তারই সর্বশেষ উদাহরণ।
অপপ্রচার প্রসঙ্গে ছাত্রদল নেতা মোঃ সামিউল ইসলাম আকাশ বলেন,
“আমাকে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল করে দেওয়া ও জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যে একটি সংগঠিত মহল মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য ছড়াচ্ছে। এগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও নৈতিকভাবে অত্যন্ত নিম্নমানের রাজনৈতিক আচরণ। আমি স্পষ্ট করে বলছি—গণতন্ত্র, ছাত্র অধিকার ও সংগঠনের আদর্শিক লড়াই থেকে আমাকে সরানো যাবে না। যারা এই অপতৎপরতা চালাচ্ছে, তারা গণতান্ত্রিক রাজনীতির শত্রু। আমি আইনগত ও সাংগঠনিকভাবে এর উপযুক্ত জবাব দেব।”
তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো যেকোনো গুজব কিংবা বিভ্রান্তিমূলক তথ্যে প্রভাবিত না হওয়ার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান। একই সঙ্গে ভুয়া আইডি ব্যবহারকারীদের চিহ্নিত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান আকাশ।
