অগ্রহায়নের শেষ দিকে পঞ্চগড়ে তীব্র শীত পড়তে শুরু করেছে। গত তিন দিন ধরে জেলার তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে ঘোরাফেরা করায় শীতের দাপট বেড়েছে, ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।
সোমবার সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে ১০ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ভোরেও একই তাপমাত্রা ছিল। এর আগের দুই দিনও তাপমাত্রা ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামেনি—সব মিলিয়ে তিন দিন ধরে দেশে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হচ্ছে এ জেলায়।
ভোরে হালকা কুয়াশা থাকলেও উত্তরীয় বাতাসে কনকনে শীত অনুভূত হচ্ছে। কঠিন শীতের মধ্যেও জীবিকার তাগিদে চা–বাগান, পাথরকাজ, কৃষিকাজ ও দিনমজুরির জন্য বের হতে দেখা গেছে নিম্ন আয়ের মানুষদের। পাথর শ্রমিক ও ভ্যানচালকেরা জানান, সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত শীত অতিরিক্ত অনুভূত হওয়ায় কাজে বিঘ্ন ঘটছে; আয়ও কমছে। অনেকে সর্দি–কাশিতে ভুগছেন।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, টানা তিন দিন ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে তাপমাত্রা থাকার ফলে এলাকায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইছে। তাপমাত্রা আরও কমলে এ শৈত্যপ্রবাহ জোরদার হতে পারে।
জেলা প্রশাসক কাজী সায়েমুজ্জামান জানান, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে পঞ্চগড়ে শীতের তীব্রতা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি। এখন পর্যন্ত প্রায় ৮ হাজার শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। আরও লক্ষাধিক শীতবস্ত্রের জন্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন পাঠানো হয়েছে।
এসি
