[ad_1]
সরকার প্রধানের পদে থাকা অবস্থায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে পূর্বাচলে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে করা তিন মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ২১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। এর আগে জুলাই গণহত্যার মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায় দেওয়ার পর এবার দুর্নীতির মামলায় দ্বিতীয় রায় হলো।
শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল ও ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে পাঁচ বছর করে কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম সরকারকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
শেখ হাসিনা, তার ছেলে ও মেয়ে সকলেই পলাতক থাকায় রায় তাদের অনুপস্থিতিতেই দেওয়া হয়েছে। মামলায় ২৩ জন আসামির মধ্যে শুধুমাত্র রাজউকের কর্মকর্তা খুরশিদ আলম কারাগারে রয়েছেন। মামলার শেষ পর্যায়ে তিনি আত্মসমর্পণ করেন এবং এক বছরের কারাদণ্ড পান।
আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, সরকারি সম্পত্তি নিজের নামে নেওয়ার মাধ্যমে রাষ্ট্রের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন শেখ হাসিনা। প্লট বরাদ্দের জন্য দেওয়া হলফনামা নোটারি করা না থাকায় তা জাল নথি হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। এছাড়া রাজউকের কোনো বিধিমালা বা নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি।
দুদক এ বছরের জানুয়ারিতে মোট ছয়টি মামলা দায়ের করে, যেখানে প্রতিটি মামলায় শেখ হাসিনা, তার পরিবার এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠা করে মোট ৬০ কাঠার প্লট বরাদ্দে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত ছিল।
সাজু/নিএ
[ad_2]
